আমি হয়তো পাগল হয়ে যাবো,
অথবা আত্মহত্যা করবো!
পাতার পর পাতা লিখে যাচ্ছি
মাথামুণ্ডুহীন!
যেসব কবিতা পড়লে উচ্চশ্রেণীর
সাহিত্যবোদ্ধা সমালোচকরা
নাক সিঁটকোবে।
আমি তো এমন ছিলামনা!
আমিও ছিলাম কিছু বিশিষ্ট
প্রকাশক সম্পাদকদের
ধান্দাবাজ স্তাবকবৃন্দের দলে।
আমি তো বরাবরই বামপন্থী;
যে হৃদয়ের চেয়ে মস্তিষ্ককে
প্রাধান্য দিয়ে গেছে বেশি।
তবে একি হলো আমার?
দুর্ভিক্ষপীড়িত মুখ আজকাল
মনে আসছেনা কেন?
পলিটিকাল ঝাঁঝালো আলোচনা
অর্থহীন লাগছে হঠাৎ!
আমার যুক্তিবাদী বামদিক
হঠাৎ স্লোগান তুলছে,
"পুষ্পিতা! পুষ্পিতা!"
আমার অলিন্দ আর নিলয়ে
রক্তের টাগ অফ ওয়ার,
একটাই জিগির তুলছে
"পুষ্পিতা! পুষ্পিতা!''
আমার রক্তের প্রত্যেকটি
এরিথ্রোসাইট-মনোসাইট-লিম্ফোসাইট
আর্তনাদে পাগল করে তুলছে আমাকে,
"পুষ্পিতা! পুষ্পিতা!''
আমার শিরা আর ধমনীর টিপটিপ
রক্তের বয়ে চলা, একটাই নাম ধরে
স্রোত বয়ে দিচ্ছে একটানা,
"পুষ্পিতা! পুষ্পিতা!''
এ আমার কী সর্বনাশ হলো?
তোমার বিদ্রুপ তোমার অবহেলায়
আমি ক্ষতবিক্ষত হই প্রতিনিয়ত!
আমি স্বপ্ন না দুঃস্বপ্ন দেখি আজকাল;
শবযাত্রীদের ভিড়ে সাদা বিছানায়
ফুলে ফুলে ঢেকে আছে আমার শরীর!
আমার শরীর নিয়ে কাটাছেঁড়া করে ডাক্তার
লাশকাটা ঘরে!!
আমাকে দিয়ে এইসব জঘন্য পাগলামি
লিখিয়ে নিচ্ছে তোমার কৌতুকময় চোখ!
আমি কিসে শান্তি পাবো?
সুমনের গান আজ অসহ্য মনে হয় নিদারুণ!!
লেনিন ভুলে লালন হলাম আজ হঠাৎ!
সমাজের ওষুধ খোঁজা ছেড়ে
মনের মানুষের খোঁজে পাগল করলে আমাকে!
পুষ্পিতা,আমি কী করে মুক্তি পাবো?
তোমার অবহেলায় সব পাতা ঝরেছে আমার,
নগ্ন শুষ্ক ডাল কোথায় লুকোই
এই ভীষণ সর্বনাশা উত্তুরে হাওয়ার মরশুমে!!
-দেবসেনাপতি
Wednesday, 17 January 2018
পুষ্পিতা....আবারও তোমার জন্যেই!!
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
শীত গতপ্রায়
আবার একটা শীত গতপ্রায়; এই শীতেও তুমি জানলেনা হেমন্তের জাতক এক তোমাকে চাইতো অকারণ! মাঘের শেষবেলায় এ শহর অধিক কুয়াশায় ঢেকে যাবে, হু হু উত...
-
ত্রয়োদশী চাঁদের গায়ে ছেলেবেলার আঘাতের দাগ দেখেছি কাল সারারাত, কাল সারারাত চাঁদ তার ছেলেবেলার সমস্ত চোটের দাগ সারাগায়ে মেখে নিয়েছিলো। ...
No comments:
Post a Comment