চল জয়দীপ
ঘুরে আসি দার্জিলিং,
বাতাসিয়া লুপে ভুটিয়া ছেলের খেলা,
যানজটহীন প্যাঁচালো পাহাড়ি পথ
ম্যালের বেঞ্চে কেটে যাবে সারাবেলা।
ভোর চারটেয় পাহাড়ের জিপগাড়ি
পৌঁছে দেবেই প্রিয় টাইগার হিলে,
মনাস্টারিতে প্রথম ভোরের ঘন্টা
স্নিগ্ধতা দেবে সূর্য দু'হাত মেলে।
আমিও তো হারালাম অনেক কিছুই,
শৈলশহর বাংলারই আজো আছে,
বিমল গুরুং ভাঙতে পারেনি কিছুই
এ শহর আজো স্বপ্ন দেখেই বাঁচে।
আঁকাবাঁকা কুয়াশায় ভেজা রাস্তায়
হেঁটে ফেরা যাবে 'সানরাইজ' হোটেলেই,
দু'চারটে ঘোড়া ডাইনে এবং বাঁয়ে,
জল খেতে যাবে পাহাড়ি ঝর্ণাতেই।
জপযন্ত্র ঘোরাবে বৃদ্ধ লামা
গম্ভীর স্তবে, 'মণিপদ্মে হুম',
নেপালি শিশুর গায়ে সোয়েটার জামা
শীতের ভোরে শরীরে লেপের ওম।
জানলাটা ছুঁয়ে যাবে ছেঁড়া গুঁড়ো মেঘ,
হঠাৎ বৃষ্টি হঠাৎ একটু রোদ
ম্যালের রাস্তা গায়েতে শীতের আমেজ,
হিমালয় মাথা উঁচু করে তোলে প্রতিরোধ।
হঠাৎ করেই মনে পড়ে যাবে তাকে,
আমার বুকেতে মিশে থাকা সেই পাগলী
তোমার নামেও মিশে আছে সেই প্রেয়সী,
হে দার্জিলিং; হে পর্বতশৈলী।।
Tuesday, 18 July 2017
চল জয়দীপ
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
শীত গতপ্রায়
আবার একটা শীত গতপ্রায়; এই শীতেও তুমি জানলেনা হেমন্তের জাতক এক তোমাকে চাইতো অকারণ! মাঘের শেষবেলায় এ শহর অধিক কুয়াশায় ঢেকে যাবে, হু হু উত...
-
ত্রয়োদশী চাঁদের গায়ে ছেলেবেলার আঘাতের দাগ দেখেছি কাল সারারাত, কাল সারারাত চাঁদ তার ছেলেবেলার সমস্ত চোটের দাগ সারাগায়ে মেখে নিয়েছিলো। ...
No comments:
Post a Comment